Posts

Showing posts from December, 2021

ধর্মের লড়াই

  শিরোনামঃ ধর্মের লড়াই ✍ মিতা সিনহা রচনাকাল -৩১/১০/২০২১ আলোকমালায় সজ্জিত আজ রাজপথ থেকে অলিগলি, ধর্মের নামে চলছে লড়াই যাচ্ছে প্রাণ বলি। কে হিন্দু,কে মুসলিম,কেবা খ্রীষ্টান? সকলের দেহে একই রক্ত বহমান। জাতিতে জাতিতে করছো লড়াই! ঈশ্বরের কি জাত আছে ভাই? অশিক্ষায় ভরেছে গোটা দেশ কেনো করো শিক্ষার বড়াই? মনের দরজা একটু খোলো চক্ষু করো উন্মীলিত, ঈশ্বর,আল্লা সবই এক কি নামে পূজবো বলো? সকলের দেহে বিরাজ করছেন ঈশ্বর রূপী ভগবান, জাতিতে জাতিতে কোরো না হিংসা বিদ্বেষ ক্রোধের আগুনে পুড়ে তুমিও হয়ো না শেষ। মৃত্যুর পর কেবা হিন্দু,কেবা মুসলিম এক মাটিতেই মিলবে দেহ হবো মোরা বিলীন। © সংরক্ষিত

জাগাও জ্ঞানের আলো

Image
  জাগাও জ্ঞানের আলো ✍ মিতা সিনহা রচনাকাল -০২/১১/২০২১ সব কালো যে হয় না কালো যদি মনে থাকে আলো, কালোর মাঝেও খুঁজে পাবে ভালো যদি হৃদ মন্দিরে জাগাও জ্ঞানের আলো । কেশ ও কালো, আঁধার ও কালো, কালো ও দুটি নয়ন তবে মেয়ে কালো হলে কেনো বলো তারে, তুই দেখতে ভীষণ কালো। কেনো লাগে না তারে ভালো? মা কালীও যে কালো! তবে কেনো বলো, মা তোমার রূপেই জগৎ আলো। মা কালী যদি হয় শক্তির দেবী তবে নারী কেনো নয়? মা কালীকে করো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভক্তি তবে নারীর বেলায় কেনো করো কটুক্তি? হৃদ মন্দিরে জাগাও আলো দেখবে তখন সবই ভালো। © সংরক্ষিত

আমার চোখে তুমিই ঈশ্বর

Image
  আমার চোখে তুমিই ঈশ্বর ✍ মিতা সিনহা রচনাকাল -০৩/১১/২০২১ আজ শুধু প্রতি ক্ষণে ক্ষণে মনে পড়ে যায় শুধু তোমারি কথা কতো স্মৃতি আজ দুচোখে ভাসে বুকে জাগে কতো ব্যাথা সময় চলে যায় থাকেনা বসে মানুষ চলে যায় শুধু স্মৃতি চোখে ভাসে। আছো তুমি যেখানেই জানি তুমি ও করছো আমায় মনে মনের গোপনে শুধু শিহরণ জাগে কে ছিলে তুমি বুঝতে পারিনি আগে তুমি মোর মাতা, তুমি মোর গুরু তুমি স্বয়ং বিধাতা। ঈশ্বর কখনো হয়নি দেখা আমার চোখে তুমিই ঈশ্বর একথা জানে তোমার মিতা। © সংরক্ষিত

ভাতৃ দ্বিতীয়া

Image
  শিরোনামঃ ভাতৃ দ্বিতীয়া ✍মিতা সিনহা রচনাকাল- ০৭/১১/২০২১ ভাতৃ দ্বিতীয়ার শুভক্ষণে বসে থাকি আকুল নয়নে, ভাইয়ের কপালে দেবো ফোঁটা যমের দুয়ারে রাখবো কাঁটা। ভাইটি আমার থাকুক সুখে আর্শীবাদ টি করবো মুখে, ধান দুর্বা মাথায় রাখবো শঙ্খ বাজিয়ে উলু দেবো। বসতে দেবো আসনটি পেতে চন্দনের ফোঁটা দেবো কপালেতে। নাড়ু মিষ্টি সাজিয়ে পাতে, মিষ্টান্ন লুচি দেবো খেতে। খাওয়াবো তাকে যত্ন করে আর্শীবাদ টি দেবো প্রাণ ভরে, ভাই বোনের অটুট বন্ধন বেঁচে থাক আজীবন। © সংরক্ষিত

সুখী গৃহিণীর খেলা

Image
  শিরোনামঃ সুখী গৃহিণীর খেলা কলমে - মিতা সিনহা রচনাকাল -১১/১১/২০২১ এই পাড়ায় নয়,অন্য পাড়ায় ছিলো যে মোর বাস, পুতুল খেলা,রান্নাবাটি খেলতাম বারোমাস। যেথায় ছিলো ছোট্ট কুটির সোনার রঙে ছাওয়া, গোবরে নিকোনো উঠোন খানা আলপনার দাওয়া। সব ভাইবোন মিলে হেসে আর খেলে কেটে যেতো মোর বেলা, আজ যে আমি শৈশব হারিয়ে খেলছি সুখী গৃহিণীর খেলা। © সংরক্ষিত

হেমন্তের আগমন

Image
  শিরোনামঃ হেমন্তের আগমন কলমে- মিতা সিনহা রচনাকাল - ১৩/১১/২০২১ শরৎ এর বিদায় বেলায় হেমন্ত বুঝি এলো ধরায়, পাখায় নিয়ে হিমেল পরশ কাঁখে নিয়ে গুড়ের কলস, হাতে নিয়ে ধানের ছড়া আলের পথে শিশির ঝরা, দূর্বা ঘাসে মুক্তো হাসে পুকুর জলে পদ্ম ভাসে, নবান্নের ধান উঠবে ঘরে চাষীর ঘরে গোলা ভরে, ফুটবে মুখে মধুর হাসি আনন্দে মেতে গা ভাসি, হিমের কুঁড়ি ফুটছে ভোরে গাঁদা ফুল হাই তুলছে জোরে, নরম রোদের ওম মেখে গায় বৈষ্টমী চলেছে সকালবেলায় আকাশ প্রদীপ ঈশান কোণে শিশিরসিক্ত মেঠো পথ হেমন্তের আগমনে। © সংরক্ষিত

স্বপ্নের পাঠশালা

Image
  শিরোনামঃ স্বপ্নের পাঠশালা কলমে - মিতা সিনহা রচনাকাল -১৩/১১/২০২১ আকাশের ঐ নীল রঙা ঘরে মেঘের দল যখন হাই তুলতে তুলতে জানলা খুলে উঁকি মারে শহরের পানে, আমি তখন নিকোনো উঠোনে দাঁড়িয়ে চেয়ে থাকি দূর আকাশের মেঘেদের পানে। মনে পড়ে যায় ছেলেবেলার সেইক্ষণ! ভোরের আলো ফোটার আগেই আমিও জানলা খুলে উঁকি দিতাম আকাশের দিকে কখন আঁধারের পর্দা সরিয়ে আলো ছড়িয়ে পড়বে পৃথিবীর বুকে! ফুলের সাজি হাতে বেরিয়ে পড়তাম ,এ গাছ সে গাছের ডালে চড়ে ফুল পাড়তে।আজো শহরের বুকে খুঁজে বেড়াই একমুঠো শিউলির গন্ধ! কোথাও খুঁজে পাই না আমার সেই প্রাণকাড়া গন্ধ। ভীষণ মনে পড়ে দাদার খেলার সেই টায়ারটা যখন লুকিয়ে রাখতাম,হন্যে হয়ে দাদা সারা বাড়িময় খুঁজে বেড়াতো তার সেই প্রিয় টায়ারটা। দাদার সাথে ডাং গুটি খেলা, সে কি কখনো ভোলা যায়? পাড়ার বন্ধুদের সাথে পুতুল খেলা, রান্নাবাটি খেলার সাথে সাথে কিত্কিত্, এক্কাদোক্কা, দাড়িয়াবান্ধা, লুকোচুরি আরো কতো কি! জীবনের বাঁকে এসে আজো খুঁজে বেড়াই আমার সেই কৈশোর কে! থেকে থেকে মনে পড়ে যায় গ্ৰীষ্মের দুপুরে যখন কালবৈশাখীর ঝড় হতো,সব ভাইবোন মিলে বেড়িয়ে পড়তাম এর তার গাছের আম কুড়োতে, ত...

মুক্তির স্বাদ

Image
  শিরোনামঃ মুক্তির স্বাদ কলমে - মিতা সিনহা রচনাকাল - ১৬/১১/২০২১ যখন আমি ছিলাম ছোটো হইনি তেমন বড়ো ঘরের বাইরে পা রাখলেই বড়োরা হতো জড়ো, বলতো আমায়,যাও ঘরে তুমি হও নি এখনো বড়ো ঘরে বসে লেখাপড়া করো। যখন আমি গেলাম স্কুলে বাবা মা থাকতো আমার সাথে স্কুল ছুটি হতেই ছুটতাম তড়িঘড়ি দেরি হলেই পিঠে পড়তো লাঠির বাড়ি! এলাম যখন শ্বশুর বাড়ি, কিছু না করতেই শাশুড়ি বলতেন; এটা নয় তোমার বাপের বাড়ি এখানে চলবে না কোনো ছলচাতুরি। সন্তানকে মানুষ করলাম অনেক কষ্ট করে, যখন তারা হলো বড়ো আনলো বৌ ঘরে; আমি হলাম ওদের কাছে অবাঞ্ছিত পাত্র বাইরে যাওয়ার কথা বললেই বলতো আমায়, হয়েছে বয়স এখন তুমি হাঁটতে পারবে না ঠিকমতো, এই বয়সে তুমি যেও না যত্রতত্র। ভেবে ছিলাম, একদিন নিশ্চয়ই নারীরা পাবে স্বাধীনতা, এই দেশ থেকে, এই সমাজ থেকে, পাবে শোষণ থেকে মুক্তি পাবে মুক্তির স্বাদ! আজ যে আমি শৈশব, কৈশোর, যৌবন পেরিয়ে বৃদ্ধ বয়সে এই বৃদ্ধাশ্রমে একা! © সংরক্ষিত

শ্রেষ্ঠ গুরু

Image
  শিরোনামঃ শ্রেষ্ঠ গুরু ✍মিতা সিনহা রচনাকাল -১৯/১১/২০২১ আমাদের জীবনে পিতা মাতা ছাড়াও আছেন দুজন গুরু একজন হলেন শিক্ষাগুরু অপরজন দীক্ষাগুরু, শিক্ষাগুরু দিলেন মোরে পার্থিব জ্ঞান দীক্ষাগুরু আধ্যাত্মিক পথে উত্তরণের সোপান। সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ গুরু হলেন দীক্ষাগুরু ষড়ঋপু নিয়ন্ত্রণের পথ যার মাধ্যমে হলো শুরু, গুরু কৃপা ছাড়া শিষ্যের হয় না ভগবৎ প্রাপ্তি গুরু কৃপাহি কেবলম জীবনের মুক্তি।।

মনুষ্যত্বের বড়াই

Image
  শিরোনামঃ মনুষ্যত্বের বড়াই কলমে - মিতা সিনহা রচনাকাল - ১৪/১১/২০২১ আজো পৃথিবী জুড়ে হিংসা বিদ্বেষ ভরে, কেউ চায় না কারোর ভালো অশিক্ষায় জগৎ আলো বেঁচে থাকার নেই অধিকার কে আপন কে বা পর ধর্ম নিয়ে করছে লড়াই মানুষ বলে করছে বড়াই। © সংরক্ষিত

অচেনা দেশে

Image
  শিরোনামঃ অচেনা দেশে ✍মিতা সিনহা রচনাকাল - ২৩/১১/২০২১ সীমানা ছাড়িয়ে চলে যেতে চাই, বহু দূরে অচেনা কোনো দেশে! যেথায় কুয়াশা স্নাত সূর্য আঁধারেতে মেশে। কিংবা ঐ যে দূরে সবুজ মাঠ যাবো আমি ঐ মাঠের শেষে যেথায় এসে নীল আকাশ মাটিতে মেশে! আলের ঐ পথটি ধরে কুয়াশার ঘোমটা পরে পৌঁছে যাবো লাল মাটির দেশে, বাউল হয়ে পথে পথে গাইবো আমি দিনে-রাতে। শিশির জলে পা ভিজিয়ে পৌঁছে যাবো অন্য দেশে, জনমানবহীন সবুজে ঘেরা টিয়াপাখির রঙে শহরটি মোড়া যেথায় রামধনুর রং ছড়িয়ে আছে গাছের পাতায়, সবুজ ঘাসে। যেথায় থাকবে না কোনো কোলাহল থাকবে না হিংসা বিদ্বেষ, থাকবে না বিধিনিষেধের বেড়াজাল থাকবে না ধর্মের ভেদাভেদ, মাটির বুকে থাকবে না কোনো রক্তের দাগ সবুজ গালিচার বুকে থাকবো মোরা পরমসুখে। কখনো মনে হয় চলে যাবো, ঐ নীল আকাশের দেশে চাঁদের বুকে ঘর বেঁধে থাকবো জ্যোৎস্নাকে ভালোবেসে। কিংবা যদি চলে যাই অতন্দ্র প্রহরীরত ঐ পাহাড়ের দেশে, সফেদ শাড়ি জড়িয়ে গায়ে থাকবো পাহাড়কে ভালোবেসে! ঝরনা হয়ে ঝরবো আমি মিশবো গিয়ে নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ করবো খেলা ঢেউ যখন দেবে দোলা, পড়বো গিয়ে সমুদ্রের বুকে মাখবো ফেনা আপন সুখে, সাগর ছাড়িয়ে ম...

শীতের পরশ

Image
  শিরোনামঃ শীতের পরশ ✍মিতা সিনহা তারিখ:-২৭/১১/২০২১ হিমেল হাওয়ায় শীতের পরশ মনে জাগায় শুধুই হরষ। নতুন ধানে নবান্ন উৎসব গ্ৰাম জুড়ে হবে মহোৎসব। বসন্ত এনেছে হিমেল হাওয়া মনের মাঝে ঘুরতে যাওয়া। খেজুর গাছে ঝুলছে হাঁড়ি শীতে কাঁপছে দাদুর দাড়ি। বাগান জুড়ে ফুলের মেলা ধান কাটতে যায় বেলা। আমন ধানে ভরছে গোলা পথ চলেছে পথ ভোলা। গাঁদা ফুলে হলুদের বাহার প্রজাপতির দল খুঁজছে আহার। শিশির বিন্দু ঘাসের ডগায় শিউলি ঝরে ভোর বেলায়। সোহাগী রোদে একটু আয়েশ মনে জাগায় পিঠা পায়েস। ভোর বেলায় আলসেমি জাগায় শীতের চাদর জড়িয়ে গায়। বাবুই শ্যামা গাছে গাছে চাতক পাখি জল যাচে। নর...

অহঙ্কার পতনের মূল

Image
  অহঙ্কার পতনের মূল ✍ মিতা সিনহা সূর্য তার চলার পথে চলছে আপন বেশে, রোজ সকালে পূব আকাশে ওঠে সে হেসে। মনে তার ভীষণ গর্ব-- একদিন বললো সে হেসে হেসে, আমার চেয়ে নেইকো বড়ো এই মহাকাশে। তাই না শুনে মেঘের দল ত্রস্ত গতিতে হরিণের মতো ছুটে, কালো রঙের প্রলেপ দিয়ে সূর্যকে দিলো ঢেকে। মেঘেরা বললো, দেখো সূর্য আমি এই মহাকাশে শ্রেয়, আমার চেয়ে নেইকো বড়ো কেহ। তাই না শুনে তীব্র গতিতে বাতাস এলো ধেয়ে, এক ধাক্কায় মেঘকে সে দিলো উড়িয়ে। বাতাস বললো, দেখো এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড আমার, আমার চেয়ে নেইকো বড়ো এই পৃথিবীতে আর। ছুটলো সে ঝড় হয়ে সারা দেশময়, হঠাৎ করে পাহাড়ের চূড়ায় লাগলো ধাক্কা হায়! পাহাড়ের বুকে ধাক্কা খেয়ে কমে গেলো চলার গতি বুঝলো সে, তার চেয়েও পাহাড়ের শক্তি অতি। পাহাড় উঠলো খিলখিলিয়ে সকলকে করলো হেয়, বললো সে দেখো দেখো- আমার মতো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না কেহ। হঠাৎ করে কম্প দিয়ে উঠলো ভূমি মা কেঁপে, পাহাড়ের বুক চৌচির করে দিলো তার শক্তি ঘুচিয়ে। সবাই কেমন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল ভূমি মায়ের দিকে, ভূমি মা বললো, আমার চেয়ে শক্তিশালী পাবেনা কাউকে; সকলকে ধারণ করার ক্ষমতা রাখি এ বক্ষে। কোথা থে...

মনের অজান্তে

Image
  শিরোনাম -মনের অজান্তে ✍মিতা সিনহা শিশু থেকে একদিন আমরা যুবতী হয়ে উঠি! মালতী হয়ে কিংবা বকুল চাঁপার মতো নিজের সব গন্ধ বিলিয়ে দি অপরের লাগি। নিজের কথা ভাবিই না- পৌষের রোদের যে কি অনুভূতি , সেটা হয়তো বোঝার মতো সময় হয়ে ওঠে না। কখনো হেমন্তের সকালে আকাশের বুক চিরে বেরিয়ে আসা সেই সোনালী রোদের ডানাকে ছুঁয়েও দেখি না! সময় কোথায় আমাদের? তখন আমরা ব্যস্ত উনুনে আগুন জ্বালাতে, ঐ টুকুই আমাদের পৃথিবী। কখনো কৃষ্ণচূড়া কিংবা পলাশের রং মাখি না গায়ে কিংবা ভোরের শিশিরের জলে পা ভেজাই না, কুয়াশার চাদর সরিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠের মাঝে হলদে রঙের সরষে ফুলে প্রজাপতি হয়ে ঘুরে বেড়াই না। সমুদ্রের সামনে বসে কখনো তার কথা জানতে চাই না, তার কিসের এতো দুঃখ? কেনো সে এতো উত্তাল? কেনো সে হয়ে ওঠে ভয়ঙ্করী? কেনো সে কারো কিছু নিজের কাছে রাখতে চায় না সব ফিরিয়ে দেয়। সমুদ্রের ফেনা কখনো দুহাত ভরে সারা অঙ্গে মেখে ও নি না! তার সঙ্গে ভেসে যেতে পারিনা কোনো অচেনা দেশে! এভাবেই যৌবন পেরিয়ে একদিন বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাই, তখন বিস্তীর্ণ শরীর মনের এলাকা জুড়ে একাকী হয়ে পড়ি! আর সেই একাকীত্ব অনেক সময় নিজের ...