জীবন সাথী
শিরোনামঃজীবন সাথী
কখনো আমি হেঁটেছি
নির্জন দুপুরে একলা পথে,
কখনো আমি হেঁটেছি
প্রচন্ড বৃষ্টিতে কলকাতার ফুটপাথে,
কখনো মধ্যরাত্রে হাঁটতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়েছি!
শুধু পথ চলা হয়নি তোমার সাথে।
বহু দূর থেকে যখন শুনতে পেয়েছি তোমার ডাক,
চমকে গিয়ে সম্মুখে হয়েছি অগ্ৰসর!
ঐ তো ,আর বেশি দূরে নও তো তুমি,
এই তো আমার চেনা স্বর!
থাকবো না আর একা একা
চলবো তোমার সাথে সাথে,
একলা আর হাঁটবো না পথ
এই বিশাল পৃথিবীতে।
হাতে হাত রেখে চলবো মোরা
অচেনা কোনো দেশে,
সমুদ্রের ফেনা মাখবো গায়ে
ভেসে যাবো দারুচিনির দেশে।
শঙ্খ চিল হয়ে উড়বো মোরা
চলে যাবো ঐ আকাশের দেশে,
থাকবে না কোনো কোলাহল
ঘর বাঁধবো মনের হরষে।
পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকো যদি তুমি
ঝরনা হয়ে ঝরবো তোমার বুকে আমি,
মোরা হবো মোদের চলার পথের সাথী
আজও নির্জনে বসে তাই একলা মালা গাঁথি!
দূর থেকে শুধু ছুঁতে চাই তোমাকে,
চাই না তো অন্য কিছু আর!
ঘুমের মাঝে স্বপ্নে জড়িয়ে ধরি তোমাকে,
স্বপ ভাঙলে হয়ে যায় সব একাকার।
পড়ন্ত বিকেলে সূর্য যায় অস্তাচলে
পাখিরা যায় নীড়ে,
গোধূলিবেলায় ধূলি ওড়ায়ে গো যায় তার গোয়ালে।
মন্দিরের ঘন্টা যখন বাজে ঢং ঢং শব্দে,
প্রদীপ হাতে আমি একাকী দাঁড়ায়ে থাকি নিঃশব্দে!
আঁখি হতে জল পড়ে টুপ টুপ
সূর্য দেয় বুঝি ডুব,
একলা ঘরে বসি নিরালায়,
মোর জীবন সাথী -
আজ ও এলোনা মোর আলয়!
© সংরক্ষিত
Comments
Post a Comment